ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো [2024]

ফ্রিল্যান্সিং কি

আপনি যদি ঘরে বসে ইন্টারনেটের কাজ করে আয় করতে চান তাহলে এই পোস্টে আপনাকে স্বাগত। ইন্টারনেট থেকে আয় করার অনেক কয়টি উপায় আছে তার মধ্যে আজকে যেটি নিয়ে আলোচনা করবো সেটি হলো ফ্রিল্যান্স। হ্যা ফ্রিল্যান্সিং এর মাদ্ধমে আপনি ঘরে বসে কাজ করে টাকা ইনকাম করতে পারেন এবং এটি ভারত ও বাংলাদেশে বেশি প্রচলিত ইনকাম করার পথ । ফ্রিল্যান্স এক প্রকার চাকরির মতোই ধরতে পারেন । শুধু তফাৎ হলো ফ্রিল্যান্স কাজ করলে আপনি নিজের স্বাধীনে কাজ করতে পারবেন , যেখানে ইচ্ছা সেখানে গিয়ে কাজ করতে পারবেন আরো কিছু সুবিধা রয়েছে যেটি এই পোস্টে আলোচনা করবো।

এই পোস্টে আপনাদের কে ফ্রিল্যান্সিং কি ? ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবেন , ফ্রিল্যান্স থেকে কিভাবে ইনকাম করবেন এই সব বিষয়ে আলোচনা করবো। তাই আপনি যদি একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে চান তবে এই পোস্টটি শেষ পর্যন্ত পরার অনুরোধ রইলো।

ফ্রিল্যান্সিং কি ?

ফ্রিল্যান্সিং কি  এটা  হলো এমন একপ্রকারের কাজ যেটা আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যম ঘরে বসে কাজ করে টাকা ইনকাম করতে পারেন।
একজন ফ্রিল্যান্সার কোনো প্রতিষ্ঠান ছাড়াই নিজের কাজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কে কাজে লাগিয়ে ক্লায়েন্ট দেড় সার্ভিস প্রদান করে থাকে। ফ্রিল্যান্সিং এর ফলে আপনি আপনার পছন্দের কাজটি খুঁজতে পারেন ও করতে পারেন। চাকরির ক্ষেত্রে একটা নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে যেতে হয় ও নির্দিষ্ট সময়ে ছুটি হয়, কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং করলে কোনো নির্দিষ্ট সময় , নির্দিষ্ট স্থানের প্রয়োজন নেই।আর ফ্রিল্যান্সিং মানে হলো স্বাধীন যাবে কাজ করা।

সহজে বলতে গেলে ফ্রিল্যান্সিং হলো এক ধরণের কাজ যেটা একজন ফ্রিল্যান্সার তাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দিয়ে কোনো প্রকার প্রতিষ্ঠান ছাড়াই ক্লায়েন্ট কে সার্ভিস প্রোভাইড করে থাকেন সেই কাজ কে ফ্রিল্যান্সিং বলা হয়। আর যিনি এই ফ্রিল্যান্সিং কাজ করেন তাদেরকে ফ্রিল্যান্সার বলা হয়।

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো?

ফ্রিল্যান্সিং শেখার আগে আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনার কোন প্রকার কাজ ভালো লাগে, সেটি প্রথমে সেটি আগে ঠিক করুন। তার পর আপনি সেই বিষয়ের ওপর কোর্স করতে পারেন , আপনি চাইলে এখন ঘরে বসেও অনলাইন এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স করতে পারেন। এছাড়াও আপনি Google বা কোনো Podcast থেকে সেই কোর্স সম্পর্কে তথ্য নিতে পারেন। যদি আপনি কোনো কারণ বসতো কোর্সে ভর্তি হতে না চান তবে YouTube এর মাধ্যমে আপনি অনেক ফ্রিল্যান্সিং কোর্স ফ্রিতেই পেয়েযাবেন ।

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো?

মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো

বন্ধুরা অনেক লোকের ধারণা যে মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শেখা অসম্ভব , কিন্তু আমি বলে রাখি আপনি চাইলে মোবাইল দিয়ে ফ্রীলান্সিং শিখতে পারবেন। আপনার হাতে যদি একটি স্মার্ট ফোন ও তাতে ইন্টারনেট থাকে তবে আপনি ফ্রিল্যান্সিং নিচের কয়টি Tips অনুসরণ করে শিখতে পারেন।

YouTube এর মাধ্যমে –

ইউটিউব এমন একটি মাদ্ধম যার সাহায্যে আপনি শুধু ফ্রিল্যান্সিং না আরও অনেক কিছু শিখে নিতে পারেন, এবং আমি আগেও যেমন বলেছি ইউটিউবে অনেক ভিডিও , চ্যানেল আছে যেই চ্যানেলগুলোতে ফ্রিল্যান্স শেখার বিষয়ে আলোচনা করা হয় সেই সব চ্যানেল কে অনুসরণ করে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারেন।

ব্লগ সাইট থেকে –

আপনি এই পোস্টটি পড়ছেন এটিও একটি ব্লগ। এমন আরো ব্লগ পড়ে আপনি ফ্রিল্যান্সিং সমন্ধে তথ্য নিতে ও ফ্রিল্যান্সিং কাজ শিখতে পারেন ।এর মানে এই না যে আপনি শুধু বিভিন্ন পোস্ট পরেই গেলেন আর সেগুলি যদি আপনি নিজে করার চেষ্টা করলেন না , তাহলে এগুলি আপনার কাজে আসবে না।

কোর্সের মাধ্যমে –

আমি আগে ওপরে বলেছি আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং শেখা নিয়ে সিরিয়াস হন ও ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে কাজ শিখতে চান তবে আপনাকে ফ্রি অথবা পেইড কোর্স করা দরকার।

আরো পড়ুন : পকেট রাউটার কি? পকেট রাউটার কেন ব্যবহার করা হয়?

আরো পড়ুন : হারানো মোবাইল খুজে পাওয়ার উপায় 2024

ফ্রিল্যান্স কত প্রকার ?

আপনি হয়তো বুঝেই গেছেনফ্রিল্যান্সিং কি, এবার ফ্রিল্যান্স কত প্রকার বলতে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ কে বোঝানো হয়ে থাকে, এর মানে ব্যাপারটা ধরতে পারেন ফ্রিল্যান্স কত প্রকার কাজ আছে। তাই নিচে কিছু ফ্রিল্যান্স কাজের সম্পর্কে আলোচনা করেছি –

এস য়ি ও -(SEO)

ফ্রিল্যান্স SEO

 

SEO মানে হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের । আপনি যখন Google এ কোনো কিছু সার্চ দেন তার পরে যে ওয়েবসাইট গুলি সামনে আসে সেগুলি সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনের ফলে। তাই বর্তমানে seo একটি অনলাইন আয় করার উৎস হয়ে উঠেছে। তাই আপনি ভালোমতো seo কাজ শিখে গেলে আপনি অনেক কোম্পানিতে চাকরি বা ফ্রিল্যান্স করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। Seo শেখার আর একটা লাভ হলো আপনি পরে নিজে একটা ব্লগ শুরু করে তাতে ভালো মতো seo করে সেটিকে Google এ Rank করে Google AdSense এর মাধ্যমে আর্নিং করতে পারবেন।

গ্রাফিক ডিজাইন  -(Graphic design)

ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইন

বর্তমানে গ্রাফিক এর ব্যাবহার টিশার্ট ডিজাইন , Visiting কার্ড , Youtube thumbnail , পোস্টার ডিজাইন প্রায় সব জায়গাতেই গ্রাফিক এর ব্যবহার করা হয়। গ্রাফিক ডিজাইন অনেক প্রকারের হয় , আপনি যদি একবার গ্রাফিক ডিজাইন ভালোমতো শিখে যান তাহলে ফ্রিল্যান্স করে ভালো মতো অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

এছাড়াও বিভিন্ন কোম্পানি তাদের মাকেটিং , লোগো ইত্যাদি তৈরি করার জন্য গ্রাফিক ডিজাইন দের খুব প্রয়োজন হয়ে থাকে তাই আপনি এই কোর্স শিখে লাভজনক হতে পারেন।

Web Development ও Design করা –

ফ্রিল্যান্স Web Development

Web ডেভলপমেন্ট ও ডিজাইন হলো ওয়েবসাইট সম্পর্কিত কাজ। একটি ওয়েবসাইট বানানো ও সাইটটি ডিজাইন করা হলো ওয়েব ডেভলপমেন্ট এর কাজ।
এখন অনলাইনে মার্কেটিং কিংবা পরিচিত তৈরি করার জন্য ওয়েবসাইট সেরা প্লাটফ্রম। আপনি দেখবেন যাদের ফেসবুক পেজ , ইউটিউবার , সেলিব্রেটি দের ওয়েবসাইট আছেই । এমন কোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠিত মানুষ নেই যাদের ওয়েবসাইট নেই।

ওয়েবসাইট এর সবথেকে ভালো দিক হলো Youtube চ্যানেল , Facebook পেজ কোনো কারণে চলে যেতে পারে। কিন্তু ওয়েবসাইট কখনই চলে যাবে না।
তাছাড়া ইন্টারনেটের ব্যাবহার দিন দিন যত বাড়ছে তেমনি তার সাথে আরো নতুন নতুন ওয়েবসাইট এর সংখ্যাও বেড়ে চলেছে, তাই আপনি ওয়েব ডেভলোপমেন্ট এর কাজ শিখে ফ্রিল্যান্সিং করলে আপনি ভাল সেলারি পেতে পারেন।

আর্টিকেল রাইটিং – ( Article Writing )

ফ্রিল্যান্স আর্টিকেল রাইটিং

আর্টিকেল রাইটিং এর কাজ ফ্রিল্যান্সিং করে ভালো পরিমান অর্থ উপার্জন করতে পারেন। আর্টিকেল রাইটিং কাজে আপনাকে SEO ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখে দিতে হয়।আপনি যদি ভালো মানের Seo Friendly আর্টিকেল লিখতে পারেন তবে আপনার ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট গুলোতে কাজের অভাব হবে না।

আর্টিকেল রাইটিং করতে হলে আপনাকে ইংলিশ ভালো মতো শিখতে হবে , কেননা ইংলিশ একটি ওয়ার্ল্ডওয়াইড ভাষা, মূলত সব দেশেই ইংলিশ ভাষা চলে। আর্টিকেল রাইটিং শেখার পর আপনি কোনো blog বা নিজের বানানো ওয়েবসাইটের জন্য আর্টিকেল পাবলিশ করে Google Adsense এর মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

ভিডিও এডিটিং – (Video Editing)

ফ্রিল্যান্স ভিডিও এডিটিং

আপনি যদি আমাকে বলেন বর্তমান সময়ে কোন ফ্রিল্যান্সিং কাজের বেশি চাহিদা তাহলে আমার উত্তরটি হবে ভিডিও এডিটিং। এখন ভিডিও এডিটিং এর প্রচুর চাহিদা।
এর কারণ হচ্ছে অনলাইন মার্কেটিং , হ্যা ঠিকই পড়েছেন মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ভিডিও এডিটিং একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভিডিও এডিটিং। ভালো ভিডিও এডিটিং করে মার্কেটিং করলে ভালো ফল পাওয়া যায় ।
তাছাড়া আপনিও জানেন এখন fscebook , instagram , YouTube Shorts ভিডিও বেশি আপলোড হয়ে থাকে , তাই এর জন্য ভিডিও এডিটর এর প্রয়োজন হয়ে থাকে।

আর বিভিন্ন অনলাইন Creator বা কোম্পানি তাদের ব্যান্ড এর জন্য ভিডিও এডিটিং করিয়ে থাকে , তাই আপনি চাইলে ভিডিও এডিটিং কোর্স করে ফ্রিল্যান্সিং এ আসতে পারেন।

কোডিং – (Coding)

ফ্রিল্যান্স Coding

আপনি Html , Java , Paython ইত্যাদি কোডিং শিখে ওয়েবসাইট , এপ্লিকেশন ইত্যাদি ডেভলপমেন্ট করে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন এবং এই কাজের চাহিদা ও ইনকামও বেশি তাই আপনার যদি কোডিং এর প্রতি ইন্টারেস্ট থাকে তবে কোডিং এর কোর্স করে ফ্রিল্যান্সিং এ আসতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস- Freelance Marketplace

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস- Freelance Marketplace

বর্তমানে অনেক ফ্রিল্যান্স মার্কেট প্লেস রয়েছে সেগুলির মধ্যে কিছু সেরা ও বিশ্বাসযোগ্য প্লাটফ্রম এক নজরে দেখে নেবো ,আপনার কাছে যেটি পছন্দ সেটি বেঁচে নিবেন –

ফাইবার – (FIVERR)

ফাইবার একটি জনপ্রিয়ও ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস , এটি ২০১০ সাল থেকে পরিষেবা দিয়ে আসছে। ফাইবার অতি পরিচিত ও বিশাসী ওয়েবসাইট। ফাইবারের মাধ্যমে আপনি অনেক প্রকারের কাজ পেয়েযাবেন ও এই সাইটে প্রতিটি কাজ ৫ ডলার থেকে শুরু করে ১০,০০০ ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে। পেমেন্ট নিবার জন্য paypal , payoneer , ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার এর মাদ্ধমে নিজের পেমেন্ট নিতে পারেন।
ফাইবার ওয়েবসাইটে যেই রকম কাজ পাবেন –

  • SEO
  • Music & Audio
  • Photography ইত্যাদি অনেক ধরণের কাজ করতে পারবেন।

আপ ওয়ার্ক (Upwork)

Upwork বহু প্রচিলিত ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস , এখানে প্রায় ১৮ মিলিয়ন ফ্রিল্যান্সার কাজ করে টাকা ইনকাম করে থাকে। প্রতি বছর প্রায় ৩ মলিওনের বেশি কাজ এখানে পোস্ট করা হয়। এখানেও আপনি paypal,payoneer,ব্যাংক ট্রান্সফার এর মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারেন.Upwork এ যেধরনের কাজগুলি পাবেন –

  • Sales & Marketing
  • Writing and Translation
  • Engineering and Architecture ছাড়াও আপ ওয়ার্ক এ আরো অনেক প্রকার কাজ পাওয়া যাই।

ফ্রীলান্সার ডট কম – (Freelancer.com)

Freelancer একটি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস, এই মার্কেট প্লেস প্রায় ৩২ মিলিওন ফ্রীলান্সার কাজ করে থাকেন . এখানে পেপাল , payoneer,ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার মাদ্ধমে পেমেন্ট নিতে পারবেন। এখানে প্রায় 2700+ আলাদা ক্যাটাগরি মতো কাজ করার সুবিধা রয়েছে,যেমন –

  • Website Design
  • Mobile App Development
  • Banner Design
  • Link Building
  • Data Entry

পেপল পার হাওয়ার – (Peopleperhour)

এই মার্কেট প্লেস ঘন্টা ভিত্তিক কাজ করা হয়ে থাকে, এখানে প্রায় ১৫ লাখের বেশি ফ্রীলান্সার কাজ করেন। এখানে কাজ পাওয়া একটা কঠিন বিষয় হতে পারে তবে আপনি যদি ক্লায়েন্ট কে সঠিক দাম ও ভালো সার্ভিস দিতে পারেন তবে আপনার কাজ পাওয়া সোজা হবে। এখানেও আপনি পেপাল ,ব্যাঙ্ক ট্রান্সফার , payoneer পেমেন্ট নিতে পারেন।Peopleperhour মার্কেটপ্লেস যে ধরণের কাজ গুলি পাবেন –

  • Technology & Programming
  • design
  • digital marketing
  • video photography
  • music audio
  • social media

গুরু ডট কম – (Guru.com)
Guru.com এখানেও আপনি সব ধরনের কাজ পেয়ে যাবেন। এই প্লাটফর্মে প্রায় ৩৫ লক্ষের বেশি লোক কাজ করে থাকেন। এখানেও আপনি ঘন্টা ভিত্তিক কাজ করতে পারেন। নিজের পেমেন্ট নেবার জন্য paypal , payoneer , ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারের সুবিধা রয়েছে। এখানে যেই ধরনের কাজ গুলি পাবেন –

  • Data Entry
  • Graphic Design
  • Ethical Hacking
  • Logo Design
  • WordPress

কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট খুলব ?

উপরের মার্কেটপ্লেস গুলোর কথা যেমন জানিয়েছি সেগুলি বা অন্য কোনো মার্কেট গিয়ে প্রথমে নিজের ইমেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে Singup করে একাউন্ট খুলুন । তার পর আপনি নিজের প্রোফাইলে যান , গিয়ে প্রোফাইলে নিজের ইউজার নেম নিজের মতো সেট করুন।

এরপর আপনি নিজের ছবি ,নিজের সূম্পর্ণ নাম , আপনি কোন ভাষা বোঝেন সেগুলি সেট করুন। তার পর আপনি যেই কাজ গুলি পারেন ও আপনার সেই কাজে কত দিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে সেগুলি প্রোফাইল যোগ করুন। আপনার একাউন্ট রেডি এর পর আপনি কাজ গুলির পাওয়ার জন্য পোস্ট পাবলিশ করতে হবে। এই পোস্ট এর মাধ্যমে আপনি কাজের অর্ডার পাবেন।

ফ্রিল্যান্সিং কাজ করে কতো টাকা ইনকাম করা যায়?

প্রথমেই বলি যে ফ্রিল্যান্সিং কাজে অর্থ উপার্জনের কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই । এটি এক প্রকার ব্যাবসা হিসাবে ধরতে পারেন । আপনার কাছে যেমন কাজ আসবে তেমনই আপনার ইনকাম হবে ।

একটি Paypal এর রিপোর্ট থেকে সামনে এসেছে যে ২৩% ইন্ডিয়ান ফ্রিল্যান্সার বছরে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা ইনকাম করে থাকেন । আর ২৩ % ফ্রিল্যান্সার ২.৫ থেকে শুরু করে ৫ লক্ষের মত অর্থ উপার্জন করে থাকে , আর বাকি ৫৮% ফ্রিল্যান্সার ২.৫ লক্ষের এর নিচে প্রতি বছর ইনকাম করে থাকে ।

FAQ: ফ্রিল্যান্সিং কি?

Q: ফ্রিল্যান্সিং কোন কাজের চাহিদা বেশি?
A: এখন ফ্রিল্যান্সিং এ Seo, Writing, Digital Marketing, websites Devolopment এই ধরনের কাজের চাহিদা বেশি ।

Q: ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ কিভাবে করতে হয় ?
A: ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে আপনাকে কাজের সম্মন্ধে পোস্ট তৈরি করতে হয় ,এর পর ক্লায়েন্টরা সেই পোস্ট গুলি দেখে আপনাকে কাজ দেবে । এর পর আপনার নির্দিষ্ট দিনের ভিতর সেই কাজটি করতে হবে।

Q: ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন?
A: ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার জন্য আপনার কাজের অভিজ্ঞতা, একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ও তাতে ইন্টারনেট ব্যবস্থা থাকতে হবে।

Q: ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কোন ল্যাপটপ ভালো?
A: নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ল্যাপটপ বেছে নিতে পারেন, যেমন যদি আপনি রাইটিং এর কাজ করেন তবে আপনার বেশি দামী ল্যাপটপ এর প্রয়োজন হবে না তমনই যদি আপনি গ্রাফিক্স এর কাজ করে থাকেন তবে আপনার ভালোমানের ল্যাপটপ দরকার হবে । তাই নিজের চাহিদা অনুযায়ী ল্যাপটপ বেছে নিতে পারেন।

শেষ কথা:

বন্ধুরা আশাকরি এই পোস্টের সাহায্যে আমি ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবেন ও ফ্রিল্যান্স থেকে কিভাবে ইনকাম করবেন সব টপিককে ভালোমত বোঝাতে পারলাম । তাও যদি এই সম্মন্ধে কোনো প্রশ্ন থেকে থাকে তবে নিচে কমেন্ট করতে পারেন । আর হ্যা এই পোস্টটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে এই কাজের ব্যাপারে জানাতে পারেন । পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *