ভার্চুয়াল র‌্যাম কি? ভার্চুয়াল র‌্যাম কি কাজে লাগে?

ভার্চুয়াল র‌্যাম কি

বন্ধুরা এখন মূলত সব নতুন ফোনেই দেখবেন একটি ভার্চুয়াল র‌্যাম ফিচার থাকে ,যা বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন নামে সামনে নিয়ে আসছে, যেমন – ডায়নামিক র‌্যাম এক্সপেনশন ,এক্সটেন্ডেড র‌্যাম। কিন্তু আপনারা কি জানেন এই ভার্চুয়াল র‌্যাম এর কাজ কি ও কিভাবে কাজ করে এটি । তো চলুন দেখে নেয়া যাক এই ফিচারের সমন্ধে বিস্তারিত তথ্য ।

র‌্যাম কি? – What Is RAM ?

বন্ধুরা র‌্যাম এর সম্পূর্ণ রূপ হলোRandom access memory. আমরা যখন মোবাইলে কোনো অ্যাপস ইনস্টল করে থাকি তখন সেটা ফোনের ইন্টারনাল মেমোরিতে জমা হয়ে থাকে ,এবং যখন ওই অ্যাপস কে ওপেন করি তখন সেটি র‌্যাম ব্যাবহার হয় । সহজ ভাষায় বলতে গেলে বোঝায় আমরা যখন কোনো অ্যাপস কে ব্যাবহার করার পরে যখন দ্বিতীয় অ্যাপ ও তৃতীয় অ্যাপসটা কে একই সঙ্গে চালাতে যেটা পরিচালনা করে থাকে সেটি হলো র‌্যাম ।

ভার্চুয়াল র‌্যাম কি? – What is Virtual RAM ?

বন্ধুরা আমরা সবাই জানি ফোনে বেশি র‌্যাম থাকলে বেশি অ্যাপস ও বড় গেমস খেলতে কোনো অসুবিধা হয় না , কিন্তু কিছু সময় এমন চলে আসে যখন ফোনে একসাথে অনেক অ্যাপস ব্যাবহার করার ফলে র‌্যাম ফুল হয়ে যায় তখন সেটা ক্রাশ করে যায় । ঠিক এই জায়গাতেই আসে ভার্চুয়াল র‌্যাম এর কাজগুলি। ভার্চুয়াল র‌্যাম হলো আপনার ফোনের স্টোরেজ কে কাজে লাগিয়ে টেম্পোরাল র‌্যাম এ রূপান্তরিত করে, ফলে এক সাথে অনেক অ্যাপস চালানো যায়। এটি অনেক আগে থেকেই কম্পিউটারে এই ফিচারটি চলে আসছে এখন হেভি গেমস ও হেভি অ্যাপস ব্যাবহার করার জন্য স্মার্টফোন কোম্পানি গুলি এই ফিচারটি নিয়ে এসেছে।

ভার্চুয়াল র‌্যাম এর কাজ?

বন্ধুরা এত খন আপনারা বুঝেই গেছেন জে ভার্চুয়াল র‌্যাম ফোনের র‌্যাম যখন শেষের দিকে চলে আসে তখন ফোনের স্টোরেজটি র‌্যাম রূপে কাজ করে থাকে।

ভার্চুয়াল র‌্যাম না থাকলে কি অসুবিধা হয়?

আপনার ফোনে যদি ভার্চুয়াল র‌্যাম না থাকে তাহলে আপনি যখন কোনো বড় মাপের অ্যাপস বা গেমস চালাবেন তারপর যদি দ্বিতীয় অ্যাপস টা চালাতে যান তখন কিন্তু সেই প্রথম অ্যাপসটা নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে বা আবার প্রথম থেকে সেই অ্যাপস্ টা শুরু হবে। কিন্তু যদি ভার্চুয়াল র‌্যাম থাকে তাহলে এটির কোনো কিছুই হবে না ,আপনি নিমিষেই আরো অ্যাপস চালাতে পারতেন।

ভার্চুয়াল র‌্যাম কিভাবে চালু করবো ?

ভার্চুয়াল র‌্যাম

আপনার ফোনও যদি ভার্চুয়াল র‌্যাম ফিচার থেকে থাকে তবে সেটা ব্যাবহার করতে হলে আপনাকে ফিচারটি অন করতে হবে । ভার্চুয়াল র‌্যাম কোনো ডেডিকেটেড মেনু হয় না। আপনাকে অপশনটা খুঁজতে হবে আর খুঁজে পেলে অপশনটা চালু করে দিতে হবে, আপনার কাজ শেষ । আর ফিচারটি চালু করার পর ফোনটি রিস্টার্ট করতে হবে। আর এটাও মাথায় রাখতে হবে আপনি যতটা ভার্চুয়াল র‌্যাম বাড়াচ্ছেন ততটা ফোনেও যেন পর্যাপ্ত স্টোরেজ উপলব্ধ থাকে।

ভার্চুয়াল র‌্যাম কাদের জন্য বেশি প্রয়োজন?

ভার্চুয়াল র‌্যাম ফিচারটি গেমারদের দিক থেকে খুব ভালো ফিচার । কারণ তারা সব সময়ই ফোনে হেভি গেমস খেলে থাকে তাই তাদের বেশি র‌্যাম এর প্রয়োজন হয়ে থাকে। তাছাড়া যারা ফোনে বেশি অ্যাপস চালিয়ে থাকে তাদেরও ভার্চুয়াল র‌্যাম প্রয়োজন হয় ।

FAQ:

প্রশ্ন: সর্ব প্রথম কোন ফোন কোম্পানি ভার্চুয়াল র‌্যাম ফিচারটি নিয়ে আসে ?

উত্তর: ভিভো (Vivo)

প্রশ্ন: ভার্চুয়াল র‌্যাম ফিচারটি কি নতুন ?

উত্তর: না , এটি অনেক আগে থেকেই কম্পিউটারের ক্ষেত্রে ব্যাবহার করা হতো।

শেষ কথা:

বন্ধুরা এখন আসা করি আপনারা জেনেই গেছেন যে ভার্চুয়াল র‌্যাম কিভার্চুয়াল র‌্যাম কিভাবে কাজ করে থাকে । তো আপনিও যদি কোনো ফোন কেনার কথা ভাবছেন তো অবশ্যই আপনি দেখে নেবেন যে ফোনটিতে ভার্চুয়াল র‌্যাম ফিচার আছে নাকি । আর এরকম টেক রিলেটেড পোস্টের আপডেট পেতে আমাদের সাইটটিকে বুকমার্ক করে রাখতে পারেন। পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ !

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *